তৃণমূলে রদবদলের ঘোষণা হতে পারে আজই

নিজস্ব সংবাদদাতা,ডিজিটাল ডেস্ক : একুশে বিধানসভা পাখির চোখ। ২০২১ এর বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে আজ বিষ্যুদবার সংগঠনে বড় রকমের রদবদল করতে পারেন মমতা ব্যানার্জীর। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় সভাপতি বদলের সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসাথে রদবদল হতে পারে রাজ্য স্তরের সংগঠনেও।

২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ সমাবেশের বক্তৃতাতেই  মমতা জানিয়েছিলেন, ২৩ জুলাই সমস্ত জেলা সভাপতি ও পর্যবেক্ষকদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করবেন তিনি। বক্তৃতায় তাঁর আরও একটি কথা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছিলেন, “আমি চিরদিনই থাকব না। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীদের আমি তৈরি করে দিয়ে যেতে চাই।…আমার ছাত্র যৌবন এগিয়ে আসুন। স্বপ্নের ভোর নিয়ে আসুন।”

তৃনমূল শীর্ষ সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় জেলা সভাপতি বদল করা হতে পারে। লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে ভরাডুবি হয়েছে দলের। তার পর সংগঠনের দুর্বলতা শুধরানোর চেষ্টা যে হয়নি তা নয়। কিন্তু তা কার্যকরী হয়নি। পর্যবেক্ষকদের ভূমিকাও সেখানে আশানুরূপ নয় বলেই রাজ্য নেতৃত্বের মত। ফলে কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহর মতো জেলায় সভাপতি বদলের সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে পশ্চিমাঞ্চল তথা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামেও লোকসভা ভোটে বিপর্যয় হয়েছে তৃণমূলের। জেলা সভাপতি বদলের সম্ভাবনা রয়েছে সেখানেও। বড় রকমের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে দলের ছাত্র যুব সংগঠনেও। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ যে একটি অকর্মণ্য সংগঠনে পরিণত হয়েছে সে ব্যাপারে দলের অনেকেই এক মত।

আজ রদবদলের স্বরূপ কী হবে তা নিয়ে দলের মধ্যে জল্পনা তো রয়েছেই। সেই সঙ্গে জল্পনা রয়েছে মহা সচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়েও। একুশের ভার্চুয়াল মঞ্চে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী থাকলেও পার্থবাবু ছিলেন না। আবার আজকের বৈঠকের আগে গতকাল বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীকে নিয়ে দিদি বৈঠকে বসেন বলেই খবর। সেখানেও পার্থবাবুকে ডাকা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠনে পার্থবাবুর গুরুত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। রাজ্য সংগঠনে কোনও তরুণ নেতাকে তুলে আনা হবে কিনা তা নিয়েও গত ৪৮ ঘন্টা ধরে কৌতূহল ও আলোচনা রয়েছে দলের মধ্যে।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail