​ক্ষতির মুখে পাট চাষীরা 

নিজস্ব প্রতিনিধি,কান্দী মুর্শিদাবাদ:  মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এই দুই জেলার প্রধান অর্থকরি ফসল হল পাট। পাটের ওপর নির্ভর করে সংসার চালানো থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, চিকিৎসা— সব। কিম্ত এবার পাটের দাম কমে যাওয়ায় মাথায় হাত পাটচাষীদের। দুই জেলার হাজার হাজার পাটচাষীদের ঘরে মজুত পাট। পাট কেনে মুলত কেন্দ্রীয় সংস্থা জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (জেসিআই)‌‌। খোলাবাজারে পাট বিক্রি হলেও তার দাম বেশ কম। আর জেসিআই এবার দাম ধার্য করেছে, ভাল পাট- ২৫০০-২৯০০ টাকা। মাঝারি পাটের দাম -১৮০০-২০০০ টাকা। দুই জেলার চাষীদের অভিযোগ, এই দামে পাট বিক্রি করলে লাভ তো হবেই না, পাট চাষের খরচই উঠবে না। মুর্শিদাবাদে এবার পাট চাষ হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে। জেলার ২৬টি ব্লকের প্রায় সব ব্লকেই পাট চাষ হয়। ডোমকল,রানিনগর,জলঙ্গি,বেলডাঙা,লালগোলা, ভগবানগোলা,জঙ্গিপুর,সুতি,ফরাক্কা সর্বত্র ব্যাপক হারে ফি– বছর পাট চাষ করেন চাষীরা। মুর্শিদাবাদের মতো নদিয়াতেও পাট চাষ হয়। জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশি, বেথুয়াডহরি, দেবগ্রাম প্রভৃতি এলাকার মানুষদের ভরসা এই পাট। এবার নদিয়ায় পাট চাষ হয়েছে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে। চাষীরা হয় ব্যাঙ্ক থেকে বা কোনও মহাজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাট চাষ করেন। পাট বিক্রি করে শুধু ঋণশোধ নয়,সংসারের খরচও চলে যায়। চাষীদের দাবি, এই মুহূর্তে পাটের দাম কুইন্টাল পিছু ২০০০-২৯০০ টাকা। আমাদরে দাবি, কমপক্ষে ৩৬০০ টাকা দর দিতে হবে। নইলে খরচ উঠবে না। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *