Skip to Content

ডেঙ্গির সাতকাহন

ডেঙ্গির সাতকাহন

Be First!

বি এন ই ডিজিটাল ডেস্ক :প্রায় সব বাড়িতেই সর্দিকাশি। রোগ নির্ণয়ে হিমসিম খাচ্ছেন চিকিত্সকরা।এরাজ্যে প্রত্যেক বছর নিয়ম করে হানা দেয় এই ভাইরাস ঘটিত জ্বর।এডিস ইজিপ্টাই মশার মাধ্যমে ছড়ায় ডেঙ্গির ভাইরাস।
ডেঙ্গির লক্ষণ : জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা যন্ত্রনা, বমি এবং ত্বকের নীচে চাকা চাকা দাগ।বিরলতম ক্ষেত্রে ডেঙ্গিতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ, অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যায়।এবারের বর্ষাতেও ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে। কোনটা সাধারণ জ্বর আর কোনটা ডেঙ্গি তা বুঝতে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছেন চিকিত্সকরা। বহু ক্ষেত্রে উপসর্গ মিললেও রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়ছে না। বেশ কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গ না মিললেও রক্তপরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে অনুচক্রিকা কমে গেছে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা WHO-র তৈরি করা তালিকায় ডেঙ্গির সাধারণত ৫ রকম ভাইরাস হয়। একটি ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে তাঁর শরীরে তার প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু, তার মানে এই নয়, ডেঙ্গির অন্য ভাইরাসে ওই ব্যক্তি আক্রান্ত হবেন না। পরের মরশুমে নতুন রূপে নতুন উপসর্গ নিয়ে ফেরে এই ভাইরাস। এবারও তার চরিত্রবদল হয়েছে।
ভাইরাসঘটিত জ্বরের সরাসরি চিকিত্সা সম্ভব নয়।নির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধ মেনে চললেই সুস্থ হওয়া সম্ভব।
ডেঙ্গির জীবাণবহণকারী মশা কামড়ানোর তিন থেকে ১৪ দিনের মধ্যে জ্বর শুরু হয়।
ডেঙ্গি থেকে সতর্ক হওয়ার উপায়গুলি হল : জ্বর হওয়ার পর সাধারণত শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়। পেটে ব্যথা, সব সময়ে ক্লান্তি, মাথা ভার হয়ে থাকা, ঘনঘন বমি। চোখের পিছনে ব্যথাও ডেঙ্গির অন্যতম কারণ হতে পারে।
ডেঙ্গি হলেই প্রাথমিক অবস্থায় সব উপসর্গ রোগীর শরীরে দেখা যাবে, এমনটা নাও হতে পারে।
ডেঙ্গি জটিল আকার ধারণ করলে রোগীর নাক-মুখ দিয়ে রক্তপাত , কালো মলত্যাগও হতে পারে।খুব বেশি উপসর্গের জন্য অপেক্ষা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি হওয়া।জ্বর হলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনও জ্বরের ওষুধ খাওয়া চলবে না।
জ্বরের ওষুধের সঙ্গে বারে বারে জল ও লিক্যুইড খাবার খেতে হবে। ঘন্টায় ঘণ্টায় জল কিংবা জলীয় খাবার খেলে ডিহাইড্রেশনের ভয় থাকবে না।
ডেঙ্গি হলে ৬ থেকে ৮ দিন রোগীকে খুব সাবধানে রাখতে হবে। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই স্থানীয় প্রশাসনের তরফে কোনও অজানা কারণে ডেঙ্গি স্বীকার করা হচ্ছে না। ছোট বাচ্চা ও বয়স্কদের জ্বর হলে সাবধানতা জরুরি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
Previous
Next

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*